Thursday, August 17, 2017

the unstable war of snakes VS lizards | beggars | bear | ����������

Sunday, August 7, 2016

ঘাম


ঘাম আমাদের সবার কম-বেশি হয়ে থাকে। বিশেষ করে বাইরে বের হলে ঘাম বেশি হয়। ঘাম শরীরের জন্য কী কী উপকার করে তা জেনে নিন!
আপনি বাইরে বেরিয়েছেন। বাইরে প্রচণ্ড রোদ, তাই ঘাম বের হচ্ছে আপনার শরীর থেকে। আবার কোনো কাজ করছেন, কাজের সময় দরদরিয়ে ঘাম বেয়ে পড়ছে আপনার শরীর থেকে, এমনটা ঘটতে পারে যে কোনো সময়ই।
এমন ঘামকে আমরা অবশ্য অনেক সময় খারাপ ভাবি। ঘামের এই বিষয়টিকে সাধারণভাবে মনে করা হয় যে খারাপ লক্ষণ। তবে এই ঘামটা কী আসলেই খারাপ? না, গবেষকরা বলছেন- পর্যাপ্ত ঘামা সবসময় খারাপ নয়। শরীরের ঘাম যথেষ্ট উপকারীও বটে।
গবেষকরা বলেছেন, একজন সুস্থ-সবল মানুষ তার শরীর হতে প্রতিদিন গড়ে অন্তত এক লিটার ঘাম ত্যাগ করেন। পর্যাপ্ত ঘামার কারণে যেকোন ব্যক্তি রোগমুক্ত থাকতে পারেন। এটি নিয়মিত রক্ত চলাচলে সহায়তা করে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
ঘাম শরীরের অতিরিক্ত লবণাক্ততা বের করে দেয়। যেটি কিডনির জন্যও খুবই উপকারী। যখন আপনি ঘামছেন, তার মানে হলো আপনাকে অতিরিক্ত পানি পান করতে হচ্ছে এজন্য। যেটি রক্ত চলাচলের মাধ্যমে ইউরিনের সাহায্যে দূষিত উপাদান বের করতে সাহায্য করে থাকে।
ঘামার কারণে শরীর হতে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যায়, যে কারণে ওই ব্যক্তির শরীরে ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। যা শরীর ও ত্বক উভয়ের জন্য বিশেষ উপকারী।
তাছাড়া অতিরিক্ত কাজের সময় যখন শরীর হতে ঘাম বেয়ে পড়ে ঠিক তখন তার সঙ্গে বেরিয়ে যায় অপ্রয়োজনীয় এবং দূষিত উপাদানও। যে কারণে শরীর ও মন চনমনে হয়ে ওঠে। তাই এক কথায় ঘাম মানুষের জন্য উপকারী।

ফরমালিন

যেভাবে ফলের মধ্যে ফরমালিন দেওয়া হচ্ছে!!!!!!
তাতে আজকাল আমরা ফরমালিনমুক্ত ফল খেতেও ভয় পেয়ে থাকি। তাই পুষ্টিবিষয়ক সচেতনামূলক এক কর্মশালায় এর একটি সলুশন দেওয়া হয়েছে।
যখন আমরা ফল কিনতে ভয়ে ভয়ে থাকি ঠিক তখন ভোলায় স্বাস্থ্যসেবায় পুষ্টি খাদ্য গ্রহণবিষয়ক এক কর্মশালায় বক্তারা বলেছেন, বাজারে ফরমালিন মিশ্রিত ফল ও সবজি সতর্কভাবে খেতে হবে। খাওয়ার আগে ১০ মিনিট গরম লবণ পানিতে ফল ও সবজি ভিজিয়ে রাখতে হবে।
সমপ্রতি পুষ্টিবিষয়ক সচেতনতামূলক এক কর্মশালার আয়োজন করা হলে বক্তারা এ কথা বলেন। কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন জেলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. ফরিদ আহম্মদ, ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর পারভিন আক্তার, উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল কাদের মজনু, প্রেস ক্লাব সভাপতি হাবিবুর রহমান, মাহামুদুল হক আজাদ, মোঃ অলিউর রহমান, অ্যাডভোকেট মমতাজ বেগম, আবু তাহের, সামস উল আলম মিঠু, সাংবাদিক অমিতাভ অপু, নেয়ামত উল্লাহ, মহিউদ্দিন প্রমুখ।

ওই কর্মশালায় বক্তারা বর্তমান পরিস্থিতিতে ফরমালিনের সমালোচনা করে বলেন, আজকাল কোন ফলে ফরমালিন আছে আর কোনটিতে ফরমালিন নেই বোঝা মুশকিল। তাই যখনই কোন ফল কিনবেন, তখন বাড়িতে নিয়ে তা ১০ মিনিট গরম লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এভাবে খেলে ফরমালিনের গুণাগুণ অনেকটাই নষ্ট হয়ে যাবে।

শরীরের মেদ একটি বড় সমস্যা।!!!!!!!!

বিশেষ করে যাদের বয়স বাাড়ছে তাদের এই সমস্যাটি বেশি। তাই আজ রয়েছে মেদ কমানোর সহজ পদ্ধতি। জেনে নিন সেই পদ্ধতিটি!
ওজন কমানোর জন্য বিশেষ করে যাদের বয়স বেশি তাদের ব্যতিবস্ত হতে হয়। কিন্তু এতো ব্যস্ত হওয়ার কোনোই কারণ নেই। আপনি ঘরে বসে খুব সহজেই আপনার ওজন বিশেষ করে মেদ অর্থাৎ পেটের চর্বি কমিয়ে নিতে পারেন। হয়তো ভাবছেন কীভাবে? সে বিষয়টি নিয়েই আজকের এই প্রতিবেদন।

মেদ কমানোর জন্য অনেকেরই বিশাল তালিকা দেখা যায়। অবস্থা দেখে মনে হয়, যেনো ওজন কমানো নয়, ছোটখাটো একটা যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে। বেশিরভাগ মানুষের কাছে শোনা যায়, অনেক কম খেয়েও নাকি তাদের ওজন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার অনেকে নাকি না খেয়েও থাকে, তারপরও কোনো পার্থক্য চোখে পড়ে না।
এবার পার্থক্য আপনি নিজে নিজেই বুঝতে পারবেন। তেমন কিছু নয়, মাত্র এক কাপ পানি প্রতিদিন পান করার কারণে আপনার পেট ১ ইঞ্চি করে কমে যাবে! তবে এই যাদুকরী পানি তৈরি করতে আপনার মাত্র দুটি উপকরণের প্রয়োজন পড়বে।
এক- আদা এবং দুই- লেবু। এই দুটির মিশ্রণ আপনার ওজন কমিয়ে আনবে বলা যায় যাদুকরী উপায়ে!
কীভাবে বানাবেন জেনে নিন
প্রথমে আদার ছোট ছোট টুকরা করুন এবং তা আধা ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর সেই পানির সঙ্গে আরও পানি মিশিয়ে একটি আমান লেবু কয়েক টুকরা করে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
এখন ঘণ্টা দুয়েক অপেক্ষা করুন। তারপর প্রস্তুত হয়ে গেলো আপনার পেটের চর্বি কমানোর ওষুধ। সারাদিন এই পানি প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর পান করুন। এতে করে আপনার ওজন যেমন কমবে সেইসঙ্গে শরীরও ডিটক্স থাকবে। এভাবে প্রতিদিন তৈরি করে তা পান করুন।

লবণ দিয়ে ম্যাজিকের মতো মাইগ্রেনের যন্ত্রণা দূর করুন!!!!!!

মাইগ্রেন বা মাথা ব্যথা যাদের আছে তারা বোঝেন মাথা ব্যথা হলে কি অবস্থা দাড়ায়। অথচ খুব সহজ একটি জিনিস salt দিয়ে ম্যাজিকের মতো মাইগ্রেনের যন্ত্রণা দূর করা সম্ভব। কিভাবে এটি করতে হবে জেনে নিন।
যাদের মাইগ্রেনের ব্যথা আছে কেবলমাত্র তারাই জানের মাথা ব্যাথা হলে কি অবস্থা সৃষ্টি হয়। একবার মাথা ব্যাথা শুরু হলে তা নষ্ট করে দিতে পারে আপনার পুরোটি দিন। শুধু তাই নয়, কারও কারও মাইগ্রেনের ব্যাথা সাধারণ পেইনকিলারে দূর হতেও চায় না। কি করবেন তারা? তাদের এক বিশাল উপকারে করতে পারে লবণ। কিভাবে ব্যবহার করবেন লবণ? আসুন সে বিষয়ে আমরা আজ জেনে নেই।

যারা মাইগ্রেনের ভুক্তভোগী তারা নিশ্চয়ই ইতিমধ্যেই মাইগ্রেন কমানোর অনেকগুলো উপায়ে ব্যথা কমানোর চেষ্টা করে দেখেছেন। কিন্তু কিছুতেই কাজ হচ্ছে না। মাইগ্রেনের ব্যাথা একবার শুরু হওয়ার পর আর কোনো রকম পেইন কিলারও কাজ করছে না। অনেকের আবার স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে পেইন কিলারের ব্যবহারের উপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। তবে একটি সহজ পদ্ধতি লবণের ব্যবহার এতে ভালো কাজ করতে পারে আপনার।
লবণ ব্যবহার কার নিষেধ
প্রথমেই জেনে নেওয়া দরকার লবণ ব্যবহার করা উচিত নয় কার কার। মাইগ্রেনের ব্যাথা যখন হয় তখন অনেকের রক্তচাপ বেড়ে যায়। লবণ ব্যবহারের ফলে তাদের রক্তচাপ আরও বেড়ে ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অবশ্য তারা মাইগ্রেনের ব্যাথা কমাতে সেলেরির জুস পান করতে পারেন। কারণ এতে রয়েছে এমন এক ধরনের সোডিয়াম যা রক্তচাপ বাড়ায় না আবার মাইগ্রেনের ব্যাথা কমাতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে।
কিভাবে লবণ ব্যবহার করবেন
লবণ ব্যবহার করে মাইগ্রেন কমাতে হলে অবশ্য সাধারণ মানের টেবিল সল্ট ব্যবহার না করে উচ্চমানের লবণ ব্যবহার করতে হবে। যেমন: হিমালায়ান ক্রিস্টাল সল্ট। এই লবণের বিশেষত্ব হলো এতে উপস্থিত রয়েছে ৮৪টি খনিজ উপাদান, ইলেক্ট্রোলাইট ও মৌল। এই লবণ শুধু যে মাইগ্রেন কমায় তাই নয়, বরং সেইসঙ্গে শক্তিশালী করে তোলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও। আবার শক্তি বাড়ায়, রক্তে সেরোটোনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, শরীরে অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্যও বজায় রাখতে সাহায্য করে থাকে।
লবণ ব্যবহারের এই উপায়টি খুব সহজ। এক গ্লাস লেবুর রস (অথবা আপনার পছন্দের কোনো ফলের জুস নিন) এর মধ্যে বেশি করে লবণ দিয়ে তৈরি করুন একটি মিশ্রণ। তথন তা পান করে ফেলুন। দেখবেন মাইগ্রেনের ব্যাথা দূর হয়ে যাবে একেবারে ম্যাজিকের মতো।
আগেই বলা হয়েছে যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে সেসব রোগীদের অবশ্যই লবণের এই মিশ্রণ পান করা উচিত নয়। আবার যাদের আলসার বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারাও লেবু অথবা এই প্রকৃতিকর অ্যাসিড ধরণের জুস পান করা হতে বিরত থাকতে হবে।
তাই সাধারণভাবে যাদের মাইগ্রেনের মাথা ব্যাথা রয়েছে তারা উপরোক্ত নিয়মে মাথা ব্যাথা শুরু হলে লবণ পানি খেয়ে উপকার পেতে পারেন।

জ্বর

যে কারও জ্বর হতে পারে। আর এই জ্বর বলে কয়ে আসে না। বিশেষ এই সময়টিতে জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। কারণ আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে এমন হয়ে থাকে। তবে আসুন জ্বর হলে কি করবেন সে বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।
কি করবেন জ্বর হলে
প্রথমেই জ্বর হলে রোগীর পুরো শরীর স্পঞ্জিং করিয়ে দিতে হবে। টানা প্রায় ১০ মিনিট অবিরাম স্পঞ্জিং করলে তাপমাত্রা কমে যেতে পারে। তবে যাদের অতিরিক্ত ঠাণ্ডা লাগা বোঝা যাবে, যেমন কাশি ও বুকের মধ্যে ঘড়ঘড়ে ভাব দেখা দিলে তাদের স্পঞ্জিং করার সময় বুকে যাতে ঠাণ্ডা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাদের ঠাণ্ডা পানি মোটেও খাওয়া যাবে না। তাদেরকে গরম পানি মিশিয়ে খাওয়ানো ভালো। স্পঞ্জিং করার সময় হালকা করে ফ্যান ছেড়ে রাখতে পারেন। আবার খেয়াল রাখতে হবে যাতে বাতাস রোগীর শরীরে যেনো ডাইরেক্ট না লাগে।
একটি ছোট গামছা অথবা রুমাল পানিতে ভিজিয়ে শরীর স্পঞ্জিং করতে হবে। আবার স্পঞ্জিং করার পর অপর একটি শুকনো ছোট গামছা দিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে, যে কোনও জ্বরেই স্পঞ্জিং উপকারী। এভাবে প্রয়োজনে দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টাও করা যায়। তবে অনেক সময় শীত করে জ্বর আসার কারণে রোগি স্পঞ্জিং করতে চান না। সেক্ষেত্রে নাপা বা প্যারাসিটামল গুপের ট্যাবলেট দিয়ে জ্বর কমাতে পারেন। যাদের কাশি বা ঠাণ্ডা লাগার পরিমাণ বেশি তারা এলাকট্রল ট্যাবলেট খেতে পারেন। তবে প্যারাসিটামলের অতিরিক্ত কোনো ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া মোটেও উচিত হবে না। তবে নর্মাল ঠাণ্ডা জ্বর হলে প্যারাসিটামল কিংবা স্পঞ্জিং করে জ্বর চলে যেতে পারে। তবে ১০০ ডিগ্রীর বেশি হলে তবেই প্যারাসিটামল খাওয়ানো যাবে। যদি ৩ দিন বা তার অধিক দিন জ্বর থাকে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ঝটপট নুডলস মেয়েদের জন্য ক্ষতিকর!!!!!!!!

শর্টকার্ট কাজ করার অভ্যাস আমাদের সকলেরই। রান্নার ক্ষেত্রেও এমনটি হয়ে থাকে। যেমন ঝটপট নুডলস রান্না করেন মেয়েরা, বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য। কিন্তু এই ঝটপট নুডলস মেয়েদের জন্য ক্ষতিকর বলে এক গবেষণায় পাওয়া গেছে।
আমরা ঝটপট রান্না করতে গিয়ে এর গুণাগুণ বা কোন ক্ষতিকর কিছু আছে কিনা তা দেখি না। কিন্তু এই নুডলসের সঙ্গে বড় একটা ঝুঁকি রয়েছে মেয়েদের জন্য। গবেষকরা বলেছেন, এই ইনস্ট্যান্ট নুডলস খুব দ্রুত রক্তে চিনি আর কোলেস্টেরোল বাড়িয়ে দেয়

মার্কিন গবেষকদের উদ্বৃতি দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, ঝটপট নুডলস মেয়েদের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তাঁদের এক গবেষণালব্ধ তথ্য থেকে এমনটাই দাবি করেছেন গবেষকরা। এ ব্যাপারে ‘জার্নাল অব নিউট্রিশন’ সাময়িকীতে একটি নিবন্ধও প্রকাশিত হয়েছে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, কোরিয়ান ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন এক্সামিনেশন সার্ভের তত্ত্বাবধানে এ বিষয়ে একটি সমীক্ষা চালানো হয়। এই সমীক্ষায় ১০ হাজার ৭১১ জন পূর্ণবয়স্ক লোক অংশ নেন। এরমধ্যে আবার অর্ধেকের বেশি ছিলেন নারী। পরে এই সমীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত নিয়ে বিষদ গবেষণা করেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। গবেষণায় তারা দেখতে পান, এসব নারী-পুরুষ যারা সপ্তাহে দুইবারের বেশি ইনস্ট্যান্ট নুডলস খেয়েছেন, তাদের মধ্যে নারী অংশগ্রহণকারীদের স্বাস্থ্যের অবস্থা বেশি শোচনীয়। তাদের বিপাকজনিত গুরুতর সমস্যা (মেটাবলিজম সিনড্রোমের) ঝুঁকি প্রায় ৬৮ শতাংশ বেড়ে গেছে। পুরুষদের বেলায় অবশ্য এই ঝুঁকি নেই।
মেটাবলিজম সিনড্রোম এমন একটা সমস্যা সৃষ্টি করে, যার কারণে হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া এর প্রভাবে কোমর এবং পেটে মেদ জমে।
‘জার্নাল অব নিউট্রিশন’ সাময়িকীর নিবন্ধের উদ্বৃতি দিয়ে ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়, ইনস্ট্যান্ট নুডলস খেলে মেয়েদের ক্ষেত্রে মেটাবলিজম সিনড্রোমের ঝুঁকি অনেক বেশি বেড়ে যেতে পারে, বিশেষ করে যারা সপ্তাহে অন্তত দুইবারের বেশি এই নুডলস খেয়ে থাকেন তাদের। আবার ভাত-মাছ, শাকসবজি অথবা মাংস এবং ভাজাপোড়া জাতীয় ভারি খাবার খেলেও স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি এতটা নেই।
ইনস্ট্যান্ট নুডলস পুরুষের চেয়ে নারী স্বাস্থ্যে কেনো এমন বিরূপ প্রভাব ফেলে তার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ গবেষকরা জানাতে পারেন নি।
তবে হার্ভার্ডের গবেষক ফ্রাঙ্ক হু’র ধারণা, এমনও হতে পারে যে- শর্করা, চর্বি ও লবণ নারীর স্বাস্থ্যের বেলায় অধিক স্পর্শকাতর। তবে মহিলারা যদি মাকে এক বা দু’বার খান তাতে কোনো সমস্যা নাও হতে পারে। কিন্তু প্রতিদিন বা সপ্তাহে একবার এই খাবার মহিলারা না খাওয়ায় ভালো।

কিভাবে চিনবেন খাঁটি মধু???????

মধু হলো একটি উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন একটি প্রাকৃতিক তরল। মধু প্রকৃতি প্রদত্ত এক বিশুদ্ধ মিষ্টি খাদ্য, যা চিনির চাইতে অনেক গুণ মিষ্টি। মধু হলো খাদ্য উপাদানগুলোর মাঝে একটি, যা কিনা কখনো নষ্ট হয় না। কিন্তু বাজারে থাকা মধুগুলো বেশিরভাগই ভেজাল পদার্থযুক্ত। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে চিনবেন খাঁটি মধু।
১. মধুতে কখনো কটু গন্ধ থাকবে না। খাঁটি মধুর গন্ধ হবে মিষ্টি ও আকর্ষণীয়। মধুর স্বাদ হবে মিষ্টি, এতে কোনও ঝাঁঝালো ভাব থাকবে না। তাছাড়া এই মধু খাওয়ার সময় আপনার নাকে একটি মিষ্টি গন্ধ লাগবে। বাজারে পাওয়া মধুতে যদি আপনি এই ধরনের কটু গন্ধ পেয়ে থাকেন কিংবা মধুর স্বাদে যদি কিছুটা ঝাঁঝালো ভাব থাকে তবে বুঝবেন এটি খাঁটি মধু না।
২. বেশ কিছুদিন ঘরে রেখে দিলে মধুতে চিনি জমতেই পারে। কিন্তু যদি মধুর পাত্রসহ গরম পানিতে কিছুক্ষণ রাখেন, তাহলে এই চিনি গলে মধু আবার স্বাভাবিক হয়ে আসবে। নকল মধুর ক্ষেত্রে এটা হবে না। খাঁটি মধুর চিনির দানা অনেক বড় বড় হয়ে থাকে। যা দেখলেই স্বাভাবিক চিনির দানার মতো লাগে না। তখন আপনি এই পরীক্ষাটি করে দেখতে পারেন যদি দেখেন যে চিনির দানাগুলো তরল হচ্ছে না তবে বুঝবেন এটি খাঁটি মধু নয়।

৩. খানিকটা পানি নিন গ্লাসে বা বাটিতে, তার মাঝে এক চামচ মধু দিন। যদি মধু পানির সাথে মিশে যায়, তাহলে বুঝবেন যে এটা অবশ্যই নকল। আসল মধুর ঘনত্ব পানির চাইতে অনেক বেশী, তাই সহসা মিশবে না। এমনকি নাড়া না দিলে ২ কিংবা ৩ ঘণ্টাতেও মধু পানিতে মিশবে না। খাঁটি মধুতে লিপিডের পরিমাণ বেশি থাকে, পক্ষান্তরে নকল মধুতে থাকে চিনি যা কার্বোহাইড্রেট।
৪. একটি মোমবাতি নিন ও মোমবাতির সলতেকে ভালোভাবে মধুতে চুবিয়ে নিন। এবার আগুন দিয়ে জ্বালাবার চেষ্টা করুন। যদি জ্বলে ওঠে, তাহলে বুঝবেন যে মধু খাঁটি। আর যদি না জ্বলে, বুঝবেন যে মধুতে মেশানো আছে পানি। আগেই বলেছি খাঁটি মধুতে লিপিডের পরিমাণ বেশি থাকায় তা আগুন ধরে থাকতে সাহায্য করে।
৫. এক টুকরো ব্লটিং পেপার নিন, তাতে কয়েক ফোঁটা মধু দিন। যদি কাগজ তা সম্পূর্ণ শুষে নেয়, বুঝবেন মধুটি খাঁটি নয়। অথবা এক টুকরো সাদা কাপড়ে মধু মাখান। আধ ঘণ্টা রাখুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি দাগ থেকে যায়, বুঝবেন মধুটি খাঁটি নয়। ব্লটিং পেপার লিপিড শোষণ করতে পারে না কেননা লিপিড হলো হাইড্রোফোবিক। আর খাঁটি মধুতে লিপিডের পরিমাণ বেশি হয়ে থাকে।
৬. শীতের দিনে খাঁটি মধু দানা বেঁধে যায়। অনেকটা নারকেল তেলের মতো আর কুকুর কখনো খাঁটি মধু খায় না। যদি কুকুরকে মধু দিলে সে তা খেয়ে নেয়, বুঝবেন মধু খাঁটি নয়। কুকুর মিষ্টিজাতীয় খাবার পছন্দ করে কিন্তু মধুতে একটি প্রাকৃতিক গন্ধ রয়েছে যা কুকুর পছন্দ করে না।

ধূমপান ত্যাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ৫টি খাদ্য!!!!!!!!!!

ধূূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ধূমপান ক্যান্সারের কারণ। এমন ভয়াবহ সতর্কবার্তা স্বয়ং সিগারেটের প্যাকেটে লেখা থাকা সত্ত্বেও অধিকাংশ মানুষ ধূমপানে অভ্যস্থ। নানান কারণে ধূমপান শুরু করলেও কেউ ছাড়তে চাইলে একই রকম সমস্যার মুখোমুখি হয়। সহসা ধূমপান পরিহার অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। অনেকেই বলেন মনের জোর খাটাতে পারলে ধূমপান ত্যাগ সম্ভব। আপনি জেনে অবাক হবেন, কিছু খাদ্য ধূমপান পরিহার করতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করে।
যারা ধূমপান করেন তারা নিশ্চয়ই জানেন, খাবারের পর ধূমপান করার ইচ্ছা আরো বেশি করে জাগে। কিন্তু এখানে যে পাঁচটি খাদ্যের কথা বলা হবে সেগুলো আপনার ধূমপানের ইচ্ছাকে প্রশমিত করবে। চলুন জেনে নিই…
দুধঃ
দুধের এমন একটি স্বাদ যা ধূমপানের আকাঙ্খা তৈরি না করে বরঞ্চ এটার প্রতি বিতৃষ্ণা তৈরি করে। ফলে ধূমপানের ইচ্ছা জাগলে এক গ্লাস দুধ পান করুন। আপনার ইচ্ছা অনিচ্ছায় পরিনত হবে। ধূমপান পরিহার করতে চাইলে নিয়মিত তরল দুধ পান করবেন। উপরন্তু ইহা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল।

ফলমূলঃ
বিভিন্ন প্রকার ফলমূল খেলে ধূমপানের আসক্তি কমে। এক্ষেত্রে টক ফলমূল যেগুলোতে ভিটামিন সি আছে, সেগূলো অত্যন্ত কার্যকর। এর প্রকৃত কারণ, ধূমপান করলে দেহে ভিটামিন সি সঞ্চিত হতে পারে না, এর ঘাটতি দেখা দেয়। যার ফলে ধূমপানের চাহিদা তৈরি হয়। ভিটামিন সি যুক্ত ফলমূল খেলে দেহে এর অভাব হবে না। ফলশ্রুতিতে ধূমপানের চাহিদা কমে যাবে। এছাড়া গাঁজর সহ অনেক রকম কাঁচা সবজিও ভাল কাজ করে।
লবণাক্ত খাবারঃ
লবণাক্ত খাবার ধূমপানের ইচ্ছা তাৎক্ষণিক দূর করে। চিপস, আচার ও অন্যান্য লবণযুক্ত খাদ্য ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কার্যকরি। এছাড়া সামান্য কাঁচা লবণ খেয়ে দেখতে পারেন। ইহা ধূমপান বিরোধী কার্যক্রম চালায়।
মিষ্টি খাবারঃ
রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলেও ধূমপানের ইচ্ছা বেড়ে যায়। মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাদ্য রক্তে গ্লুকোজের পরিমান বাড়ায়। এতে ধূমপানের ইচ্ছা কমা অবশ্যম্ভাবী। তাই ধূমপানের ঝোঁক উঠলে মিষ্টি খাবার খাবেন।
সুইংগামঃ
মুখকে কোন ভাবে ব্যস্ত রাখতে পারলে ধূমপানের পরিমান কমে যাবে। আর মুখকে ব্যস্ত রাখতে সুইংগামের চেয়ে ভাল আর কি আছে! তাই ধূমপান ত্যাগ করা সিদ্ধান্তের প্রথম দিকে সর্বদা সুইংগাম চিবান।
এভাবে খাবারের বদৌলতে ছেড়ে দিতে পারেন ধূমপানের মত বাজে অভ্যাস। বেঁচে যেতে পারেন ক্যান্সারের হাত থেকে। কিছুদিনের অভ্যাসেই এর ফল পেতে শুরু করবেন।

ফার্মের মুরগি খেলে শরীরের জীবাণুরোধী ক্ষমতা নষ্ট!!!!!!

গবেষকরা বলছেন প্রতিবার মুরগির মাংস খেলে সাথে সাথে আপনার শরীরে প্রবেশ করছে মুরগির জন্য প্রয়োগ কৃত অ্যান্টিবায়োটিকের একটি মিশ্রণ। ফলে আপনার শরীরে এই অ্যান্টিবায়োটিক প্রবেশ করে আপনার জীবাণুর প্রতিরোধ ক্ষমতাই ধংস করে দেয়।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে এভাবে কেমিক্যাল সমৃদ্ধ এসব মুরগি খেতে খেতে একপর্যায়ে ওষুধ হিসেবে রোগীকে দেওয়া অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। খামারে সাধারণত খামারিরা মুরগিকে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি অ্যান্টিবায়োটিক টিকা দেয়, যা মুরগির মাংসে তো থাকেই এবং ওই মুরগি মানুষ খেলে তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না হলেও দীর্ঘদিন খেতে খেতে ধীরে ধীরে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমে যায়। ফলে মানুষের শরীরের জীবাণুরোধী ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
ভারতে পোলট্রি মালিকেরা ব্যাপক ও বেপরোয়াভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেন বলে গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে। মুরগিকে দ্রুত বাড়ন্ত করতে এবং সংক্রামক প্রতিরোধে নিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হয়। ভারতে পোলট্রি খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কোনো আইন নেই।

ভারতের মত বাংলাদেশের মুরগিতেও এমন কেমিক্যাল এবং ক্রোমিয়াম পাওয়া যাচ্ছে, যা ক্যানসার সহ নানান রোগের জন্য দায়ী। এই বিষয়ে আমাদের মুরগির অপর নাম বিষ: ফার্মের মুরগিতে পাওয়া যাচ্ছে
কেমিক্যাল এবং ক্রোমিয়াম পাওয়া যাচ্ছে, যা ক্যানসার সহ নানান রোগের জন্য দায়ী।

যে সকল কারণে রমজানেও আপনার ওজন বেড়ে যাচ্ছে!!!!!!

যারা শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তিত তাদের অনেকেরই সারা দিন প্রায় ১৬ ঘন্টা রোজা রাখার পরও শরীরের ওজন কমছে না বরং ওজন বেড়েই চলছে। রোজা থাকার পরও কেন এমনটি হচ্ছে বুঝতেই পারছেন না। রোজা আসলে আমাদের খাবার সময়ের পরিবর্তন হয়। আবার খাবার মেন্যুতেও আসে বেশ পরিবর্তন। তৈলাক্ত খাবার খাওয়া হয় এই সময় খুব বেশি ফলে সবকিছু মিলে বাড়ছে ওজন।
ইফতারে বেশি পরিমাণে খাবার খাওয়া
রোজায় সারাদিন না খেয়ে থাকলেও ইফতারীতে খাওয়া হয় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। আর ইফতারীর এই খাবারে বেশিরভাগই থাকে তৈলাক্ত খাবার। এই খাবারের ফ্যাট বা চর্বি আপনার ওজন আরো বাড়িয়ে দিতে পারে। এই সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে পাকস্থলি খালি হয়ে থাকে। এসময় একবারে বেশি পরিমাণে খাওয়া ঠিক নয়। কেননা একবারে বেশি খেলে খাবার ভালভাবে হজম হয় না। এদিকে শরীরে ফ্যাট জমিয়ে দেয়। খাবার মাঝে পানি খাবেন না। এতে হজম প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হতে পারে। আর এই সব কারণেও বাড়তে পারে শরীরের ওজন।

পরিশ্রম কমিয়ে দেয়া ও দিনে ঘুমানো
সাধারণত কায়িক শ্রম কমে গেলে অলসতা বাড়ে। পরিশ্রম না করে দিনে ঘুমানো হলে শরীরে ওজন বেড়ে যায়। আর এই সকল কারণেই রমজানে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না। রমজানে অনেকেই রয়েছেন যারা রাত জেগে থেকে সারাদিন ঘুমান। যাদের শরীরে অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য এই ঘুমটি আরো বেশি ক্ষতির কারণ হতে পারে। এতে করে আপনার শরীরের ওজন বেড়ে যাবে যা রমজানের পরেও আপনার জন্য নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টকর হতে পারে।
খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন
যে সব খাবার খেতে অভ্যস্ত হুট করে খাবার তালিকা থেকে সেসব খাবার বাদ দিলে ওজন বাড়তে পারে। আর খাদ্য তালিকায় খুব বেশি পরিবর্তন হয় রোজায়। তাছাড়া খাদ্যতালিকায় বেশি পরিমাণ ফ্যাট আর প্রোটিনযুক্ত হওয়ার ফলে শরীরের বাড়তি ওজন সৃষ্টি হয়। ইফতারির খাবারের ক্ষেত্রে আপনি অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত খাবার বাদ দিতে পারেন। সেখানে যুক্ত করতে পারেন পুষ্টিকর খাবার যেমন বিভিন্ন ধরনের ফল, ফলের জুস ইত্যাদি। রোজায় ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এমন কিছু খাবার বেঁছে নিন যা আপনার শরীরে সুষম পুষ্টি যোগাবে কিন্তু আপনার ওজন বাড়াবে না।
ব্যায়াম না করা
শারীরিক ব্যায়াম সব সময় ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ব্যায়াম শরীরকে ফিট রাখে। কাজে কর্মে মনোযোগী করে। কিন্তু রমজানে শরীরের ক্ষতি হবে ভেবে অনেকে ব্যায়াম করেন না যার ফলে শরীরের ওজন বেড়ে যায়। সুতরাং ব্যয়াম করা বন্ধ না করে নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করুন। এতে আপনার শরীর যেমন থাকবে ঝরঝরে তেমনি থাকবে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে।
ওজন স্বাভাবিক রাখতে যা করতে পারেন
ইফতারীর শুরুতেই এক দুই গ্লাস পানি খেয়ে নিন। ইফতার ও সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে বার বার পানি পান করুন। ইফতারী করার সময় ভাজা পোড়া খাবার খাবেন না। তবে ঘণ্টা দুয়েক পর ভাজাপোড়া আইটেমের খাবার খেতে পারেন। কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার কম খান আঁশযুক্ত খাবারকে প্রাধান্য দিন। হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকবে। এছাড়া পুষ্টির ঘাটতি পুরণের জন্য উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার খান। ইফতারী খাবার সময় আস্তে আস্তে পরিমাণ মত খান। এতে খাবার সহজেই হজম হবে। শরীরে ফ্যাট জমবে না । এই রমজানে নিজের সুস্থতার যা খেতে ভালো লাগে এমন খাবার নয় বরং যে খাবার খেলে সুস্থ থাকবেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে এমন খাবার খান। সঠিক খাবার বেছে নিতে পুষ্টি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

কালোজিরার গুণাগুণ:::::

************
********
******
***
**
কালোজিরা রোগ প্রতিরোধে
প্রাচীনকাল থেকে কালোজিরা মানবদেহের নানা
রোগের প্রতিষেধক এবং প্রতিরোধক হিসেবে
ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রায় ১৪শ’ বছর আগে
মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ বলেছিলেন, ‘কালোজিরা
রোগ নিরাময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তোমরা
কালোজিরা ব্যবহার কর, নিশ্চয়ই প্রায় সব রোগের
নিরাময় ক্ষমতা এর মধ্যে নিহিত রয়েছে।’ সে জন্য
যুগ যুগ ধরে পয়গম্বরীয় ওষুধ হিসেবে সুনাম
অর্জন করে আসছে। তৎকালীন সর্বশ্রেষ্ঠ
মুসলিম চিকিৎসা বিজ্ঞানী ইবনে সিনা তার বিখ্যাত গ্রন্থ
‘ক্যানন অব মেডিসিন’-এ বলেছেন, ‘কালোজিরা
দেহের প্রাণশক্তি বাড়ায় এবং ক্লান্তি দূর করে।’
কালোজিরা তে প্রায় শতাধিক পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
এর প্রধান উপাদানের মধ্যে প্রোটিন ২১ শতাংশ,
শর্করা ৩৮ শতাংশ, স্নেহ ৩৫ শতাংশ। এ ছাড়াও রয়েছে
ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ। প্রতি গ্রাম কালজিরায় যেসব
পুষ্টি উপাদান রয়েছে তা নিন্মরূপ-
* প্রোটিন ২০৮
মাইক্রোগ্রাম,
* ভিটামিন-বি ১.১৫ মাইক্রোগ্রাম
* নিয়াসিন
৫৭ মাইক্রোগ্রাম
* ক্যালসিয়াম ১.৮৫ মাইক্রোগ্রাম
*
আয়রণ ১০৫ মাইক্রোগ্রাম
* ফসফরাস ৫. ২৬ মিলিগ্রাম
*
কপার ১৮ মাইক্রোগ্রাম
* জিংক ৬০ মাইক্রোগ্রাম
*
ফোলাসিন ৬১০ আইউ কালোজিরার গুণের শেষ
নেই। প্রতিদিন সকালে এক চিমটি কালজিরা এক গ্লাস
পানির সাথে খেলে ডায়াবেটিস রোগীর রক্তের
গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
ভেষজবিদরা কালোজিরা কে বিভিন্ন রোগের ওষুধ
হিসেবে অভিহিত করেছেন হাঁপানি রোগীদের
শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় দীর্ঘদিন কালোজিরা
সেবনে উপকার পাওয়া যায়। কালোজিরা হরমোন সমৃদ্ধ
হওয়ায় পুরুষত্বহীনতায় বা নারী-পুরুষের যৌন
অক্ষমতায় নিয়মিত কালোজিরা সেবনে যৌনশক্তি
বৃদ্ধি পায়। কালোজিরায় রয়েছে ১৫টি অ্যামাইনো
এসিড। আমাদের দেহের জন্য প্রয়োজন ৯টি
অ্যাসেনসিয়াল অ্যামাইনো এসিড যা দেহে তৈরি হয় না,
অবশ্যই খাবারের মাধ্যমে এর অভাব পূরণ করতে
হয়। আর কালোজিরায় রয়েছে আটটি অ্যাসেনসিয়াল
অ্যামাইনো এসিড। সর্দি কাশি সারাতে এবং দেহের
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কালাজিরা অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। প্রসূতি মাতাদের দুগ্ধ বাড়াতে ও নারী
দেহের মাসিক নিয়মিতকরণে এবং মাসিকের ব্যথা
নিবারণে কালোজিরার ভূমিকা রয়েছে। নিয়মিত
কালোজিরা সেবনে চুলের গোড়ায় পুষ্টি ঠিকমতো
পায়, ফলে চুলের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং চুল পড়া বন্ধ
হয়। নিয়মিত অল্প পরিমাণ কালোজিরা খেলে মস্তিষ্ক
এবং অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রক্ত সঞ্চালন ও
বৃদ্ধি সঠিকভাবে হয় এবং সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে।
**************************

••অল্প বয়সে চুল পাকলে করণীয়••


 পাকা চুলে
কলপ ব্যবহারের বিধান••
*
*
*
*
••অল্প বয়সে চুল পাকলে••
ছেলেদের চুল পাকার সমস্যা বেড়েই চলছে।
প্রথমেই জানতে হবে কেন অল্প বয়সে চুল
পাকে। এক্ষেত্রে প্রতিষেধকের চেয়ে
প্রতিরোধই উত্তম।
•কেন চুল পাকে•
১. স্পাইসি ফুড বেশি খাওয়া
২. ঘুম কম হওয়া
৩. চুলের যত্ন না করা,
৪. কম দামি হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা
৫. জেনেটিক বা হরমোনের সমস্যা
••চুল পাকা রোধে যা করবেন••
শুরুতেই পরিচর্যা করলে ইনশাআল্লাহ
অনেকাংশে
চুল পাকা রোধ করা সম্ভব।
◘সপ্তাহে দুই-তিন দিন তেল গরম করে তা
মাথার
স্কালপে ভালো করে ম্যাসাজ করতে
পারেন।
তেল চুলের পুষ্টি জোগায়।
◘আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু
বাছাইকরুন।
শ্যাম্পু ব্যবহারকরার পর কন্ডিশনার ব্যবহার
করুন।
◘চুলে খুশকি দেখা দিলে শুরুতেই সাবধান
হোন।
কারণ অতিরিক্ত খুশকির কারণেও অসময়ে চুল
পাকে।
সে ক্ষেত্রে সপ্তাহে এক দিন লেবুর রস বা
পেঁয়াজের রস স্কালপে দিয়ে ৩০ মিনিট পর
ধুয়ে
ফেললে খুশকি কমে যাবে।
◘প্রথম যখন দেখবেন চুল পাকতে শুরু করেছে
তখন হেনা, ডিমের কুসুম ও টক দই একসঙ্গে
মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মাথায় লাগান।
এরপর শ্যাম্পু
করে ধুয়ে ফেলুন। হেনা ব্যবহারের ফলে চুল
পাকা রোধ হবে এবং চুলের সাদা ভাবটা কম
বোঝা
যাবে ।
◘যাঁরা খুব বেশি রোদে কাজ করেন অর্থাৎ
চুলে
সরাসরি রোদ লাগে তাঁদের চুল দ্রুত পাকার
প্রবণতা
দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে রোদে কাজ করলে
মাথা ঢেকে রাখুন। অথবা রোদ থেকে ফিরে
ক্রিম সমৃদ্ধ শ্যাম্পু দিয়ে চুল শ্যাম্পু করুন।
◘অনেকে চুলে নানা ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার
করেন।যেমন: জেল, ক্রিম, কালার ইত্যাদি।
এসব
ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। সব সময়ভালো
ব্র্যান্ড ব্যবহারকরা উচিত।
◘ভিটামিন-ই ক্যাপসুলও চুলে ব্যবহার করতে
পারেন।
তবে সরাসরি ভিটামিন-ই ক্যাপসুল চুলে বা
স্কালপে
ব্যবহার না করাই ভালো। তেল বা জেলের
সঙ্গে
মিশিয়ে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া
যাবে।
(Collected from – দৈনিক কালের কন্ঠ )
অল্প বয়সে চুল পাকলে আরও কিছু পরামর্শ:
বংশগত হলে, অর্থাৎ আপনার বাবা-চাচা-
কাকা-দাদার মত
করে আপনারও চুল দ্রুত সাদা হয়ে পরলে
ব্যাপারটা
একটু কঠিন। আর তা না হলে, এগুলো মেনে
চলুনঃ
অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা করবেন না।
অতিরিক্ত চা-কফি-ড্রিংক্স খাবেন না।
বেশি তেলযুক্ত খাবার খাবেন না। বেশী
মশলাযুক্ত খাবার খাবেন না।
বেশী টক বা এসিডিক খাবার খাবেন না।
এগুলো খাবেনঃ
আটার রুটি, সিরিয়াল, মাংস সব ধরনের, সয়া,
গাঢ় সবুজ
সবজি, হলুদ ফলমূল, সবুজ শাক, কলা, টমেটো,
ফুলকপি, গরু-খাশির কলিজা-ফেশকা, দই,
পাউরুটি, কাজু-
পেস্তা আর কাঠ বাদাম, ডিম, চিংড়ি মাছ,
গাজর।
এই প্যাকগুলো দিতে পারেনঃ
শুকনো আমলকি নারিকেল তেলে ডুবিয়ে
সিদ্ধ
করে তেলটা কালো করে সেটা ভালো করে
ঘষে ঘষে মাথায় দেবেন।
নারিকেল তেল আর লেবুর রস মিশিয়ে মাথায়
দিতে
পারেন।
এক চা চামচ লবন এক কাপ ১৫ মিনিট জ্বাল
দেয়া
কালো চা-এর সাথে মিশিয়ে সেটা মাথায়
ম্যাসাজ
করতে হবে।
দুই চামচ মেহেদি, এক চামচ দই, এক চামচ
মেথি গুড়া,
তিন চামচ কফি, ২ চামচ পুদিনার রস, ৩ চামচ
মিন্ট রস
একসাথে মেখে মাথায় মেখে ৩ ঘন্টা পর
শ্যাম্পু
দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলবেন। (Collected from -
দূরন্ত পথিক)
ইসলামী শরীয়াতে পাকা চুলে কাল খেজাব
বা কলপ
ব্যবহার করার বিধান কী?
ইসলামী শরীয়াতে পাকা চুলে কাল খেজাব
কলপ
ব্যবহার করা হারাম।
চুলকে কাল রঙে রঞ্জিত করা হারাম।
হাদীসে কাল
খেজাব সম্পর্কে যে হুশিয়ারি উচ্চারিত
হয়েছে
তাতে একথাই প্রমাণিত হয় । এ প্রসঙ্গে রসুল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেছেন, ” শেষ
জামানায় একদল লোক কবুতরের বুকের রঙের
ন্যায় কাল খেজাব ব্যবহার করবে । আর এ
কারণেই
তারা জান্নাতের কোন সুগন্ধি পাবে না।”
আবু দাউদ
৪/৪১৯….।
অনেক চুলপাকা ব্যক্তিকে এ কাজ করতে
দেখা
যায়। তারা কাল রঙ দ্বারা সাদা চুল
রাঙিয়ে
নিজেদেরকে যুবক কিংবা অপেক্ষাকৃত কম
বয়সী
যাহির করে। এতে প্রতারণা, আল্লাহর
সৃষ্টিকে
গোপন করা ও মিথ্যা আত্ম তৃপ্তি ছাড়া আর
কোন
কিছুই হয় না। এর ফলে ব্যক্তিগত চালচলনের
উপর
নিঃসন্দেহে এক প্রকার কুপ্রভাব পড়ে। আর
অন্য
মানুষ এতে প্রতারিত হয়। নাবী করিম
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাকা চুলে খেজাব
লাগাতে
বলেছিলেন মেহেদী বা এ ধরনের কোন
জিনিস দ্বারা, যাতে হলুদ , লাল ইত্যাদি
মৌলিক রঙ ফুটে
ওঠে। তবে কাল রঙ দ্বারা রসুল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি
ওয়া সাল্লাম কখনোই খেজাব লাগানোর
অনুমতি
দেন নাই ।
আবু বকর (রা:) এর পিতা আবু কুহাফা (রা:) কে
মক্কা
বিজয়ের দিন যখন রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম
এর সামনে হাজির করা হয় তখন তাঁর চুল দাড়ি
এত সাদা
হয়ে গিয়েছিলো যে, তা সাগামা অর্থাৎ
কাশ ফুলের
ন্যায় ধবধবে দেখাচ্ছিল। তখন রসুল
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে দেখে
বলেছিলেন,
“তোমরা কোন কিছু দ্বারা এটা পরিবর্তন
করে দাও।
তবে কাল রঙ থেকে বিরত থাকো।” মুসলিম
৩/১৬৬৩ ।
এভাবে নারীদের চুলে কলপ ব্যবহার করার
বিধান
পুরুষদের চুলে কলপ ব্যবহার করার মতই।
এই দুনিয়াতে আমাদের মধ্যে নিষিদ্ধ যে
কোন
বস্তুর প্রতি আকর্ষণ সিদ্ধ যে কোন বস্তুর
তুলনায়
অতুলনীয় ভাবে বেশী। সকল রঙকে চুলে
লাগানোর জন্য বৈধ করা হয়েছে মাত্র একটি
রঙ
বাদে। অথচ এই একটি রঙের প্রতি আকর্ষণ
অন্য
সকল রঙের তুলনায় হাজারো গুন বেশী। ইচ্ছা
করলেই আমরা শরীয়ত বিরোধী এ কাজ
থেকে বেচে থাকতে পারি।আল্লাহ আমাদের
হেফাজত করুন।